নভেম্বর ২৮, ২০২২, ১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ওএমএস এর পণ্য বিক্রয়ে অনিয়ম বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার এবং বিএনপি নেতা জাকির খানের মুক্তি চাই – আতাউর রহমান মুকুল একজন ভালো জীবনসঙ্গীর বৈশিষ্ট্য সিদ্ধিরগঞ্জে ‘কিশোর গ্যাংয়ের’ হামলায় প্রাণ গেলো কলেজ ছাত্রের বন্দরে বেদে ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ দেশের সমৃদ্ধি কামনায় রুবেল মাদবরের উদ্যোগে আইমান ট্রেডার্সের দোয়া ও ইফতার রূপগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চিত্তরঞ্জন খেয়া ঘাটে ইজারাদার- মাঝিদের ঘাট জমা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতা, নৌকা বন্ধ তিন দিন সময়ের পরিক্রমায় মরে যায় এমপি-মন্ত্রী, মরেনা রেলওয়ে কালো বিড়াল গোপন বিয়ের জের ধরে খুন, আটক ১ গাইবান্ধা পলাশবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৬ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষার সময় সূচী প্রকাশ র‌্যাব-১১’র অভিযানে নারীসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক কিশোরগঞ্জে লুপ কাটিংয়ের মাটি বিক্রি হচ্ছে রাতের আধারে, ব্লক নির্মানে হচ্ছে অনিয়ম পুরোনো চেহারায় চাষাড়ার অবৈধ অটো স্ট্যান্ড নীট কনসার্ন গ্রুপের লিফট ছিঁড়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ ১৪ শ্রমিক আহত প্রিয় বাসিনী বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২০-২১ পেলেন নারায়ণগঞ্জের আফরোজা ওসমান আগামী ২৩ শে জুন ২১ জেলার ভাগ্যের দুয়ার খুলছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নাসিক-১০নং ওয়ার্ডে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে কাউন্সিলর খোকনের দিনভর বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও দোয়ার আয়োজন নাসিক-১০নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা কাজী আমির এর উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালন
আমরা কলহ-বিবাদ চাই না, আমরা ঐক্য চাই ডা.সেলিনা হায়াৎ আইভী
আমরা কলহ-বিবাদ চাই না, আমরা ঐক্য চাই ডা.সেলিনা হায়াৎ আইভী

আমরা কলহ-বিবাদ চাই না, আমরা ঐক্য চাই: ডা.সেলিনা হায়াৎ আইভী

স্টাফ রিপোর্টার :

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা.সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, ‘আমরা কলহ-বিবাদ চাই না, আমরা ঐক্য চাই। উন্নয়নের ক্ষেত্রে ঐক্য চাই। আমি রাজনীতিতে পদপদবীর লোভী নই। পদ-পদবীর আমার কোনো দরকারও নাই।

আমি চাই, আমার জনগণ আমার পাশে থাকুক। তবে এটা সত্য, আমি যে কোনো হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে পথে নামতে প্রস্তুত আছি। আর সেই হত্যাকাণ্ডে যেই থাকুক না কেন, সেটা যদি আমার নিজের সন্তানও হয়!

আমি তার বিরুদ্ধাচারণ করতে একটুও ছাড় দিব না। কিন্তু রাজনীতির ক্ষেত্রে, সামাজিকতার ক্ষেত্রে, উন্নয়নের ক্ষেত্রে, শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য আপনারা যে কোনো ধরণের কথা বলবেন, আমি সে কথা শুনতে প্রস্তুত আছি।

আমরা চাই নারায়ণগঞ্জে শান্তি। আমাদের এই নারায়ণগঞ্জকে বিগত সময় বিভিন্নভাবে সন্ত্রাসী করে কলঙ্কিত করা হয়েছে। আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যে কিন্তু আমরা কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। শৃঙ্খলা বজায় রেখে বিভিন্ন ধরণের অপকৌশল, অপরাজনীতির বিরুদ্ধে আমরা আমাদের নারায়ণগঞ্জকে প্রতিষ্ঠিত করবো।’

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে শহরের পাইকপাড়া শাহসুজা রোডে জাতির পিতা  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর  রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে নাসিক আয়োজিত আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার স্মৃতি বিজড়িত ১৯২৭ সালে স্থাপিত মিউচুয়েল ক্লাব ভবন পুনঃনির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেয়র এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মিউচুয়েল ক্লাবের সদস্য সচিব ও জেলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক খালিদ হাসানের সঞ্চালনায় ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সিও আবুল আমিনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংরক্ষিত নারী সাংসদ এড.হোসনে আরা বাবলী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের অন্যতম সদস্য এড. আনিসুর রহমান দিপু, জেলা যুবলীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির, মিউচুয়েল ক্লাবের যুগ্ম আহ্বায়ক শারফুদ্দীন আহমেদ,আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীর সভাপতি হাজী নুরুদ্দীন আহমেদ, পাইকপাড়া এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিত্ব সিরাজুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা শহীদুল্লাহ।

মিউচুয়েল ক্লাব প্রসঙ্গে মেয়র আইভী বলেন, আমার বহুদিনের স্বপ্ন ছিলো; এই মিউচুয়েল ক্লাব নিয়ে। আমরা যখন থেকে জেনেছি, বোঝার বয়স যখন থেকে হয়েছে, তখন আমি বাবার কাছ থেকে জেনেছি, নাজমা রহমান, আনসার আলী, মফিজ কাকা থেকে এমনকি এখনও যারা গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আছেন তারা আওয়ামী লীগ অফিসে বক্তব্যে বলতেন  যে, এই নারায়ণগঞ্জ থেকেই আওয়ামী লীগের জন্ম এই মিউচুয়েল ক্লাব থেকে।

তখন থেকেই আমার ভেতরে উৎসাহ-অনুপ্রেরণা ছিলো যে আমি এ মিউচুয়েল ক্লাবের জায়গাটি, এর ইতিহাস ঐতিহ্য কিভাবে সংগ্রহ করবো! আমি সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। আরো বেশি উৎসাহ যুগিয়েছে বছর দুই-এক আগে যখন আমাদের সিটি করপোরেশনে দু‘জন বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা এসেছিলেন।

তার সাথে এসেছিলেন রোজ গার্ডেনের মালিক এবং রোজ গার্ডেনের মালিক আমাকে বললেন যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোজ গার্ডেনের যে ভবনটি ছিলো তা পুরোটাই তিনি কিনে নিয়েছেন। সেখানে জাতির পিতার স্মৃতি সংগ্রহ করার জন্য।

প্রথম সভাটি মিউচুয়েল ক্লাবে হয়েছিলো পরবর্তীতে তিনদিন পর ২৩ জুন রোজ গার্ডেনে  যে সভাটি হয়েছিলো যেখানে আওয়ামীলীগের কমিটির আত্মপ্রকাশ করেছিলো। আমি ওনার কাছ থেকে এ তথ্যগুলো জানার পর থেকেই আমার মনে হল যে সে জায়গাটি যদি প্রধানমন্ত্রী কিনে সংরক্ষণ করে নিতে পারেন তাহলে আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী কেন এ মিউচুয়েল ক্লাবটি সংরক্ষণ করতে পারবো না।

জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মেয়র আইভী মিউচুয়েল ক্লাব প্রসঙ্গে আরো বলেন, ‘পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে, আমি কিছু তথ্য সংগ্রহ করে ছিলাম। সেটা হল এই যে ১৯৮২ সালে জেলা যুবলীগের অধিবেশন হয়েছিলো তখন আমাদের শেখ সেলিম ভাই এমপি ছিলেন এবং সে এই অধিবেশনের প্রধান অতিথি ছিলেন।

সেখানে একটি স্মরণিকা ছিলো, সেখানে তখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি বাণীতে লিখেছিলেন যে এই মিউচুয়েল ক্লাবেই আওয়ামী লীগের প্রথম সভাটি হয় এবং আওয়ামীলীগের জন্ম এই মিউচুয়েল ক্লাবেই। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীতে ১০১ নং পৃষ্ঠায় স্পষ্ট করে লেখা আছে বঙ্গবন্ধু যখন এখানে এসেছিলেন তখন ১৪৪ ধারা জারি হল।

রহমতউল্লাহ্ ইন্সস্টিটিউটে মিটিং করার কথা ছিলো, সেখানেও ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তারা এদিক দিয়ে চলে যাচ্ছিলেন তখন আমাদের বশির সরকারের নেতৃত্বে তখন তারা তখন এখানে সভার আয়োজন করলেন। এখানে সভার মধ্যে দিয়েই একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিলো।

 যে কমিটিটি পরবর্তীতে রোজ গার্ডেনে আত্মপ্রকাশ করা হয়। সেই সুবাদে আমাদের নারায়ণগঞ্জ আমি মনে করি পূন্যভূমি। যেখানে আওয়ামী লীগের জন্ম আমাদের জন্য তা গর্বিত হওয়ার মতই।’

মিউচুয়েল ক্লাবের ভিত্তিপ্রস্তর হওয়ার পর নবনির্মিত ভবন প্রসঙ্গে বলেন, ‘ভিত্তি প্রস্তরের মধ্যে দিয়ে আমরা মিচুয়্যাল ক্লাবটি পুর্নঃনির্মাণের কাজ শুরু করবো। চারতলা বিশিষ্ট এই ভবনটিতে সেই প্রতিষ্ঠার ২৩ জুন থেকে আওয়ামীলীগের যে আওয়ামীলীগের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি ছিল এবং বর্তমানেও যারা আছে তাদের সকলের ছবিসহ সংযুক্তি থাকবে। বঙ্গবন্ধুর জীবনী থাকবে। দোতলায় একটি শেখ রাসেল কর্ণার যেখানে শুধু রাসেলকে নিয়ে লেখা থাকবে।

এছাড়া ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে হত্যা করা হয়েছিলো যেসকল ঘটনা স্মৃতি বিজরিত কিছু ইতিহাস থাকবে এবং প্রথম তিনটি তলায় মুরুব্বিদের বসার ব্যবস্থা থাকবে। এখানে আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণ বই দিব। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখান থেকে অনেক কিছু জানতে পারবে।

আমরা এভাবেই মিউচুয়েল ক্লাবটি সাজিয়েছি। আমরা চলতি বছরের ২৩ জুন। যেদিন আওয়ামী লীগের জন্মদিন, আমরা সেই দিন এই ভবনটির কাজ উদ্বোধনের চেষ্টা থাকবে।’

নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের যত স্মৃতিবিজরিত স্থান রয়েছে তা সংরক্ষণের উপর জোর দিয়ে মেয়র বলেন, এর জন্য আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই।

মেয়র বলেন, ‘আমাদের এই নারায়ণগঞ্জের অনেক বিশিষ্ট খেলোয়াদের জন্ম। যেমন এই পাইকপাড়ায় আলাউদ্দীন খাঁনের জন্ম, দেলোয়ার হোসেন চুন্নু, আমিন এমন অনেকে আছে যারা ঢাকা আবাহনী কাঁপাতো, মোহামেডান কাঁপাতো। আমাদের নারায়ণগঞ্জে এমন অনেক কিছু আছে, যা গর্ব করার মত।

আমাদের আদমজী জুট মিল ছিল, আমাদের চিত্তরঞ্জন কটন মিল ছিলো। আমাদের সোনারগাঁও আছে, যেটা একসময় বাংলার রাজধানী ছিলো। অনেক ঐতিহ্যে ভরা আমাদের এ নারায়ণগঞ্জ জেলা। আর এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হবে। এর জন্য এই  প্রজন্মকে কাজ করতে হবে। তা না হলে নারায়ণগঞ্জের এ সকল ঐতিহ্য বিলীন হয়ে যাবে।’

শহরের ২নং রেলগেট এলাকার নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর প্রসঙ্গে মেয়র আইভী বলেন, ‘আমরা ২নং রেলগেটে রহমতউল্লাহ্ ইন্সস্টিটিউটের সামনে বঙ্গবন্ধুর একটি ম্যুরাল উদ্বোধন করেছি। সে জায়গায়ও বঙ্গবন্ধু এসেছিলেন। সেখানে মুক্তিযুদ্ধের সময় ডিসি ও পুলিশ প্রশাসনের অস্ত্র লুট করে এসে মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র সংগ্রহ করে নারায়ণগঞ্জ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।

পরবর্তীতে পাকসেনারা এ রহমতউল্লাহ্ ইন্সস্টিটিউটের ওই জায়গাটি পুড়িয়ে দিয়েছিলো। তবে সিটি করপোরেশন জায়গাটি সংগ্রহের জন্য রহমতউল্লাহ্ ইন্সস্টিটিউটকে ১৬ শতাংশের ওপরে জায়গা দিয়েছি এবং একটি রাস্তার মাঝে একটি অবৈধ ভবন ছিলো  তা ভেঙে দিয়ে সেখানে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি স্থাপন করে দিয়েছি। আমরা সর্বজনের জন্য জায়গাটি উন্মোচন করে দিয়েছি। কারণ বঙ্গবন্ধু সকলের।’

২০১১ সালে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান জাতীয় স্লোগান করার দাবির কথা জানিয়ে মেয়র আইভী বরেন,  ‘ওইবার মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণকালে বলেছিলাম যে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের একক নয়। ‘জয়বাংলা’ স্লোগান আওয়ামীলীগ কুক্ষিগত করেছে।

জয়বাংলা স্লোগান মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান, জয় বাংলা কৃষক-শ্রমিক, দিনমজুরের স্লোগান, জাতীয় স্লোগান। ওই কথাটির ভিডিও ক্লিপটি অনেকে কাটছাঁট করে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সব জায়গায় দেখিয়েছিলো। বলেছিলো আমি নাকি এ আওয়ামীলীগের বদনাম করেছি। বলেছি জয় বাংলা স্লোগান আওয়ামীলীগ কুক্ষিগত করেছে।

আজকে কিন্তু হাইকোর্ট জয়বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। ২০১১’তে আমি আমার মেধা, বুদ্ধি, দর্শন দিয়ে কথাটি বলেছিলাম। আমি জানি না কোনো ভুল করেছিলাম কিনা! এটা আপনারা এখানে যারা বড়রা আছেন, তারা বলতে পারবেন। কিন্তু সাত বছর পর হাইকোর্ট জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে রায় দিয়ে তা প্রমাণ করে দিল।’

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এড.আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ান, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রানু খন্দকার, মহিলা বিষক সম্পাদক মরিয়ম কল্পনা, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জল, প্যানেল মেয়র আফরোজা হাসান বিভা, কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, কাউন্সিলর কবির হোসেইন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর মিনোয়ারা বেগম প্রমুখ।

সংবাদ টি শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ’বর্তমান খবর'কে জানাতে ই-মেইল করুন- bartomankhobar@gmail.com’ আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।


Bartoman Khobar ads
Bartoman Khobar ads