সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৩, ৬:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ অন্ধকারে ফিরে যাবে- প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সংঘবদ্ধ গরু চোর চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার নীলফামারীতে ফেন্সিডিলসহ মা-ছেলে আটক। নারায়ণগঞ্জ বন্দরে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার-৪ চিত্তরঞ্জন টেক্সটাইল পল্লী পরিদর্শন করলেন কুয়েত আর্মড ফোর্সেস এর প্রতিনিধি দল। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল, হয়রানির মুখে গ্রাহক স্কুল পরিদর্শনে ইউএনও, তিন শ্রেণীতে ছিলেন না কোন শিক্ষার্থী দেশের চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারি চিনিকলগুলো চালু রাখা ও উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন- শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা। আড়াইহাজারে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে নিহত ১ আহত তিন জলঢাকা থানায় ৪০০ বোতল ফেনসিডিল সহ দুইজন গ্রেফতার। বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত সড়কগুলোত সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে সৈয়দপুরবাসী। কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট অব স্মার্ট পুলিশিং’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন করলেন আইজিপি ওসি শাহাদাত হোসেনকে পুরস্কার দিলেন আইজিপি তিনদিন পর সাগর থেকে জিবিত উদ্ধার ২৯ জেলে সাংবাদিক জিহাদ হোসেন এর আজ শুভ জন্মদিন খালেদা জিয়াসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য ১০ অক্টোবর জাতিসংঘ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার মাছ নিধন।
করোনা মোকাবিলায় আরও চার হাজার নার্স নিয়োগ হচ্ছে

করোনা মোকাবিলায় আরও চার হাজার নার্স নিয়োগ হচ্ছে

বিশেষ সংবাদদাতা: করোনা মহামারি মোকাবিলায় আরও চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর পদ সৃষ্টি এবং নিয়োগের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আরও চার হাজার নার্স নিয়োগ দিচ্ছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছি। শিগগিরই এই নার্স নিয়োগ দেয়া হবে।’

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের জন্য অল্প সময়ের মধ্যে দুই হাজার ডাক্তার ও ছয় হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছি। আরও দুই হাজার চিকিৎসকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা চার হাজার নার্স নিয়োগ দেব। সেই নির্দেশ আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ইতোমধ্যে দিয়েছি। তাদের শিগগিরই নিয়োগ দেয়া হবে। সেই সাথে স্বাস্থ্য খাতে তিন হাজার টেকনিশিয়ানের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

 

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ চিকিসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্পূর্ণ সরকারি খরচে হোটেলে থাকা-খাওয়া ও যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে, থাকা-খাওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সেবাদানকারী চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এক মাসের বিল ২০ কোটি টাকা কী করে হয়, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় উপনেতা ঠিকই বলেছেন, ২০ কোটি টাকা অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। এটা আমরা পরীক্ষা করে দেখছি। এত অস্বাভাবিক কেন হবে? যদি কোনো অনিয়ম হয় আমরা ব্যবস্থা নেব।

 

সংসদ নেতা বলেন, যন্ত্রপাতি, টেস্ট কিট, সরঞ্জামাদি কেনাসহ চিকিৎসা সুবিধা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে আমরা দ্রুততম সময়ে দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছি। আরও একটি প্রকল্প চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে করোনা মোকাবিলায় আমাদের সামর্থ্য আরও বাড়বে বলে বিশ্বাস করি।

 

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন। এর আগে, আলোচনায় সংসদ উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের হাসপাতালের খাবারের বিল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ায় বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার কম

 

সর্বশেষ গত ২৭ জুনের বিশ্বের করোনা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, এই সময়ে বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ২ হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন পাঁচ লাখ এক হাজার ৬৪৪ জন। অর্থাৎ মৃত্যুর হার ৫ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। সেই তুলনায় আমাদের আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৩৭ হাজার ৭৮৭ জন। এক হাজার ৭৩৮ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। ৫৫ হাজার ৭২৭ জন সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছেন।

 

‘কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আক্রান্তের তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুর হার এক দশমিক ২৬ শতাংশ। ভারতে তিন দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ, পাকিস্তানে ২ দশমিক শূন্য ৩, যুক্তরাজ্যে ১৪ দশমিক শূন্য ৩ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৫ শতাংশ। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় বাংলাদেশে আমরা করোনাভাইরাসজনিত মৃত্যুর হার কম রাখতে সক্ষম হয়েছি। যদিও আমরা চাই না কেউ মৃত্যুবরণ করুক।’

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে এই বাজেটে আমরা কর্মস্থানের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ণ করা হয়েছে। জুলাই থেকে তা বাস্তবায়ন শুরু হবে। লক্ষ্য হবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গতিশীল করা।

 

‘বিগত ১২ বছরে এক দশমিক ৪ শতাংশ হারে দারিদ্র্য বিমোচন হয়েছে’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে ২০ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এসেছিল। আশা ছিল এবার আরও কমিয়ে ফেলব। কিন্তু দুর্ভাগ্য, কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাবে চলতি অর্থবছরে (২০১৯-২০) দারিদ্র্য বিমোচনের ধারায় কিছুটা ছন্দপতন হতে পারে। এই মহামারির কারণে অর্থনৈতিক কার্যক্রম থমকে যাওয়ায় আমাদের দারিদ্র্যের সীমা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কেউ কেউ করছেন। কিন্তু অত্যন্ত দ্রুততার সাথে আমরা সুবিশাল যে আর্থিক প্রণোদনা ঘোষণা দিয়েছি তার মাধ্যমে এই আশঙ্কা অনেকটাই রোধ করতে সক্ষম হব বলে বিশ্বাস করি। আগামী অর্থবছরে স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যখন শুরু হবে তখন আমরা দারিদ্র্য বিমোচন পূর্বের হারে নামিয়ে আনতে সক্ষম হব। বাংলাদেশকে দারিদ্র্য-মুক্ত করতে পারব।

 

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আমরা গতানুগতিক বাজেট হতে সরে এসে সরকারের অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রে কাঠামোগত পরিবর্তন এনেছি। স্বাস্থ্য খাতকে এবার সর্বাপেক্ষা গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে এ খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ, প্রণোদনা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে জনজীবনকে সুরক্ষার লক্ষ্যে ‘ন্যাশনাল প্রিপার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স প্ল্যান’ প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

 

কোডিড-১৯ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় পাঁচ হাজার পাঁচ কোটি টাকার বিশেষ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে। এছাড়া্ ১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাজেটে বরাদ্দের দিক থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের অবস্থান পঞ্চম। এটি গত অর্থবছরে অষ্টম স্থানে ছিল।

সংবাদ টি শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ’বর্তমান খবর'কে জানাতে ই-মেইল করুন- bartomankhobar@gmail.com’ আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।


Bartoman Khobar ads
Bartoman Khobar ads