অক্টোবর ৩, ২০২৩, ৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্বাচনী ইশতেহারের মতামত চেয়ে আওয়ামী লীগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা ফুটে উঠেছে- মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত পুলিশ পরিবারের সদস্যদের সহায়তা সামগ্রী বিতরণ বোনের বিয়ে ভেঙ্গে দেওয়ায় বন্ধুকে খুন, গ্রেপ্তার- ৪ রূপগঞ্জে হত্যা মামলায় আসামি গ্রেফতার ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ অন্ধকারে ফিরে যাবে- প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সংঘবদ্ধ গরু চোর চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার নীলফামারীতে ফেন্সিডিলসহ মা-ছেলে আটক। নারায়ণগঞ্জ বন্দরে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার-৪ চিত্তরঞ্জন টেক্সটাইল পল্লী পরিদর্শন করলেন কুয়েত আর্মড ফোর্সেস এর প্রতিনিধি দল। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল, হয়রানির মুখে গ্রাহক স্কুল পরিদর্শনে ইউএনও, তিন শ্রেণীতে ছিলেন না কোন শিক্ষার্থী দেশের চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারি চিনিকলগুলো চালু রাখা ও উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন- শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা। আড়াইহাজারে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে নিহত ১ আহত তিন জলঢাকা থানায় ৪০০ বোতল ফেনসিডিল সহ দুইজন গ্রেফতার। বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত সড়কগুলোত সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে সৈয়দপুরবাসী। কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট অব স্মার্ট পুলিশিং’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন করলেন আইজিপি ওসি শাহাদাত হোসেনকে পুরস্কার দিলেন আইজিপি তিনদিন পর সাগর থেকে জিবিত উদ্ধার ২৯ জেলে
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো

২০২৪ আসলে তখন সিদ্ধান্ত নেব, আমি কী করব- শেখ হাসিনা।

ষ্টাফ রিপোর্টঃ
শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ২০২৪ সালের নির্বাচনে আপনি অংশ নেবেন কিনা এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- ২০২৪ সাল আসলে তখন সিদ্ধান্ত নেব, আমি কী করব। উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য ২০২৬ সাল পর্যন্ত তার মান ধরে রাখতে হবে। এজন্য আমাদের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে, আমরা সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। আমার মনে হয়, এই কথার মধ্যে সব উত্তর আছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেন- ২০২৪ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করবে। এই অর্জনকে ধরে রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জগুলো কিভাবে মোকাবিলা করতে পারি, আমরা সেই প্রস্তুতিই নিচ্ছি। ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রয়োজনীয় সূচকগুলো ধরে রাখতে হবে। আর সেই চ্যালেঞ্জ নিতে যা যা করা দরকার, আমি তাই করতে প্রস্তুত।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন- এই বাংলাদেশে এমন মানুষ ছিল, যাদের কোনো আশা-ভরসা নেই, হাত পেতে চলতে হয়। তাদের জন্য আমরা ঠিকানার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। মুজিববর্ষে এটিই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কাজ। ওই ঠিকানাই তার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করবে।

এইসময় গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আরোও উপস্থিত ছিলেন- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রমূখ।

সংবাদ টি শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ’বর্তমান খবর'কে জানাতে ই-মেইল করুন- bartomankhobar@gmail.com’ আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও খবর...।


Bartoman Khobar ads
Bartoman Khobar ads